মঙ্গলবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং, রাত ২:০৯
শিরোনাম :
বালুমহাল নিয়ে বিরোধের জেরে বিএনপি নেতা গুলিবিদ্ধ সাংবাদিক মামুন-অর-রশিদ : সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতার এক নিবেদিত যাত্রা স্কুলের সামনে দাঁড়িয়ে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের উত্ত্যক্ত করায় ৪ কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য আটক বরিশালের নতুন পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্ আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী শক্তিশালী সিন্ডিকেট বিআইডব্লিউটিএ এখনো সক্রিয় বরিশালে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পাশে বিএনপি নেতা রহমাতুল্লাহ জাতীয় দৈনিক ‘অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এ স্টাফ করেসপন্ডেন্ট হিসেবে যোগ দিলেন আহমেদ বায়েজিদ মঠবাড়িয়ায় চোরের হামলায় অটো চালক জখম বরিশাল পেশাজীবী ফোরামের দিনব্যাপী কর্মী শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত বাল্যবিবাহ বন্ধে অভিযান, অফিস ছেড়ে পালালেন কাজী

৪ মাসের মধ্যে পেপারবুক, শুনানি এ বছরই :আইনমন্ত্রী আনিসুল হক

ডেক্সরিপোর্ট:বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে ২০০৪ সালের একুশে আগস্ট  গ্রেনেড হামলার ঘটনায় করা মামলার পেপারবুক আগামী চার মাসের মধ্যে তৈরির পর এ বছরই হাইকোর্টে শুনানি শুরু হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

বুধবার সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

গ্রেনেড হামলা মামলায় ২২৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে জানিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, এ মামলায় ২০১৪ সাল পর্যন্ত ৬১ জনের সাক্ষ্য নেয়া হয়, ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত আরও ১৬৪ জনসহ সর্বমোট এ মামলায় ২২৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। আর সওয়াল-জবাব তো আছেই। সব মিলে এটি বৃহৎ হবে। আমরা চেষ্টা করছি, দ্রুত মামলাটি তৈরি করে হাইকোর্ট বিভাগের কার্যতালিকায় এনে শুনানি শুরু করতে।’

মামলার পেপারবুক তৈরিতে এরই মধ্যে ১০ মাস কেটে গেছে, আর কত সময় লাগবে- জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘এই সময়টুকু কিন্তু লাগে। আমরা চেষ্টা করব, যত তাড়াতাড়ি পারা যায়। আমার কাছে যতদূর সংবাদ আছে, এটি ২ থেকে ৪ মাসের মধ্যে রেডি হয়ে যাবে।’

আমরা কি বলতে পারি, এ বছরের মধ্যে হবে; জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘এই বছরের মধ্যে শুনানি শুরু হবে ইনশাআল্লাহ।’

তিনি বলেন, ‘আমরা প্রসিকিউশন থেকে দেখব, এই পেপারবুক তৈরিটা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব, সেটি যেন হয়।’

গ্রেনেড হামলা মামলায় যাবজ্জীবন দণ্ডিত বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশে আনার বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, তারেক রহমানকে দ্রুত দেশে এনে বিচার কার্যকর করব।

মামলার দীর্ঘসূত্রতার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘বিচারিক আদালত যদি কাউকে ফাঁসি দেন, তবে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা অনুযায়ী সেই মামলা ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্ট ডিভিশনে চলে যায়। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা ও হত্যা মামলা; এখানে রায়ে কিছুসংখ্যক আসামির ফাঁসি হয়েছে, কিছুসংখ্যক আসামির যাবজ্জীবন হয়েছে। ফাঁসি হওয়ার কারণে মামলাটি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে চলে গেছে।’

‘যারা যাবজ্জীবন সাজা পেয়েছেন, তারাও আপিল করেছেন। হাইকোর্ট বিভাগের নিয়ম হচ্ছে- ডেথ রেফারেন্স এবং আপিলটাকে একসঙ্গে ট্যাগ করে তারা শুনানি করে। সে ক্ষেত্রে কিছু আনুষ্ঠানিকতা আছে, যেগুলো পূর্ণ করতে হয়; এ জন্য সময় লেগে গেছে’-যোগ করেন আইনমন্ত্রী।